HomeCareerওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি ? ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কীভাবে শিখব ?

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি ? ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কীভাবে শিখব ?

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি ? ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে একটা ওয়েব সাইটের প্রাণ সঞ্চার করা। একজন ওয়েব ডিজাইনার যে ডিজাইন তৈরি করেন তার প্রতিটা উপকরণকে ফাংশনাল করার জন্য পরিচালিত কর্মকান্ডই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। একটা ওয়েব সাইট কে তিনটা ভাগে বিভক্ত করা যায় যেমন ডিজাইন বা টেমপ্লেট, কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ডাটাবেস। একজন ওয়েব ডেভেলপার এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে পুরো সিস্টেমটিকে সক্রিয় করে থাকেন। একজন ওয়েব ডেভেলপারের কাজ হচ্ছে ডাটা প্রসেসিং, ডাটাবেস নিয়ন্ত্রণ,সিকিউরিটি নির্মান, ইউজার এবং এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা, এপ্লিকেশনের সকল ফিচারকে ফাংশনাল করা এবং সমগ্র সিস্টেেমের কার্যকারীতা এবং ব্যবহার যোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা অনেকেই স্বপ্ন দেখি ওয়েব ডেভেলপার হবো। কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন, এটা বর্তমান সময়ের জন্য একটা স্মার্ট প্রফেশন। অনেকেই নতুন নতুন কনসেপ্ট এবং আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন, যেটা ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য খুবই জরুরী একটা বিষয়। এ ধরণের প্রবনতা যাদের মধ্যে আছে তাদের অনেকেই স্বপ্ন দেখেন নিজেকে ভবিষ্যতের একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে, কারণ এখানে তার পছন্দের জিনিসটাকে প্রফেশনাল কর্মকান্ডের মধ্যে নিয়ে আসার সুযোগ করেছে।আবার  উল্টো দিকটাও কিন্তু আছে। অনেকেই ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্টের পার্থক্যটাই বোঝেন না। অনেকেই মনে করেন ওয়েব ডেভেলপার হতে পারলে অনেক টাকা উপার্জন করা যাবে। অনেকেই অন্যের দেখাদেখি এ প্রফেশনে আসতে চান, আবার দু-চার দিন গুতাগুতি করে বলেন যে এ কাজ আমার দ্বারা হবে না। অনেক উৎসাহী অনেকেই  ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য নতুন একটা হাই কনফিগারেশনের কম্পিউটার কিনেই দৌড় দেন বড় কোন প্রতিষ্ঠানে হাই বাজেটের কোন প্রফেশনাল কোর্স করতে, কারণ তার খুব দ্রুত ইনভেস্ট করে দ্রুত মুনাফা বাড়ানো দরকার। হলফ করে বলতে পারি আপনারা ভুল পথে হাটছেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন

ওয়েব ডেভেলপারের ধরণ

সাধারণত কাজের ধরণ অনুসারে ওয়েব ডেভেলপারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ

  • ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
  • ব্যাক ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
  • ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার

ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার

এ ধরনের ডেভেলপাররা শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইটের বাহিরের অংশকে ডিজাইন করে থাকে। কোন ক্লায়েন্ট যখন একজন ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপারকে নির্দিষ্ট ডিজাইনের কোন ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে বলেন, তখন এ ধরনের ডেভেলপাররা তাদের ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবাসইটকের ডিজাইন জেনে নিয়ে শুধুমাত্র HTML ও CSS এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট ডিজাইন করে দেয়। এ ধরনের ডেভেলপাররা ওয়েবসাটকে ফ্যাংশনাল করে দেয় না।

ব্যাক ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার

একজন ব্যাক ইন্ড ডেভেলপারকে অবশ্যই ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে পরিপূর্ণ নলেজ রাখতে হয়। কারণ ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ না জেনে ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করা যায় না। তবে এ ধরনের ডেভেলপাররা সাধারণত ফ্রন্ড ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করে না। কারণ এক সাথে দুটি কাজ করতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।

নরমালি একজন ব্যাক ইন্ড ডেলেভপার ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপারের নিকট থেকে একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইনের কোডগুলো নিয়ে সেটির একটি এ্যাডমিন প্যানেল তৈরি করেন। এ্যাডমিন প্যানেল তৈরি করার পর সেই ওয়েবসাইটের ডিজাইন পরিবর্তন করার জন্য বা নতুন পোস্ট লেখার জন্য কোডিং করতে হয় না। অর্থাৎ একজন ব্যাক ইন্ড ডেভেলপার একটি ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে রূপান্তর করে দেয়।

ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই HTML, CSS, Javascript and Jquary, PHP, Python, Bootstrap সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কোডিং জানতে হবে। সবগুলো বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ অভীজ্ঞতা না থাকলে ব্যাক ইন্ড ডেলেভপমেন্টের কাজ করতে পারবেন না।

ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার

যে ডেভেলপার একসাথে ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারে, তাকে ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার বলা হয়। এ ধরনের ওয়েব ডেভেলপার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ওয়েব ডিজাইনের কাজ সম্পর্কে অনেক অভীজ্ঞ হয়। তাছাড়া এ ধরনের ওয়েব ডেভেলপারের অনলাইন ও অফলাইন উভয় মার্কেটে অনেক ডিমান্ড থাকে।

২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শিল্পগুলির মধ্যে যেটি  ১৩% বৃদ্ধি পাবে সেটি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। একটি সফল ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডেভেলপমেন্ট করতে অনেক ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন আছে।

HTML / CSS

ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে, আপনাকে কোডিং এবং মার্কআপ ভাষা বুঝতে হবে। আপনি CSS ছাড়া HTML লিখতে পারবেন না। ক্যাসকেডিং স্টাইল শীট (CSS) একটি মার্কআপ ভাষাতে লেখা নথির ব্যাখ্যা করে। তারা HTML ভাষার আরো শৈলী উপস্থাপন করে থাকে। CSS বর্ণনা করে কিভাবে HTML ডকুমেন্টটি একটি ওয়েবসাইটের মত দৃশ্যমান হবে। এটি একটি ওয়েবসাইটের ফন্ট, রং এবং সামগ্রিক বিন্যাসে ভিত্তি তৈরি করে দেয়।

এভাবে চিন্তা করুন, HTML একটি ওয়েবসাইটের কঙ্কাল তৈরি করে। CSS ওয়েবসাইটকে তার শৈলী এবং চেহারা দেয়।

JavaScript

জাভাস্ক্রিপ্ট (JavaScript) একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি ওয়েবসাইটগুলিকে আরো ইন্টারেক্টিভ এবং কার্যকর করে তোলে। জাভাস্ক্রিপ্ট আপনাকে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ভাল অভিজ্ঞতা তৈরি করার অনুমতি দেবে। জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে, আপনি সরাসরি আপনার সাইটে বিশেষ বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশ করতে পারেন।

ফটোশপ

ফটোশপের সাহায্যে আপনার ওয়েবসাইটগুলির জন্য সম্পাদনা, নকশা এবং স্টাইলিংয়ের সাথে কাজ করে প্রচুর মজা পাবেন। এমনকি আপনি আপনার কর্মজীবনের জুড়ে ক্লায়েন্টদের জন্য অনেক ধরনের ব্যানার এবং লোগো ডিজাইন করতে পারবেন যদি এটি আপনার আয়ত্তে থাকে।

আপনি একজন ফটোশপ বিশেষজ্ঞ হিসাবে শুধুমাত্র অনুবাদ এবং কোড নকশা কিভাবে করা হয় সেটা শিখবেন না, আপনি অনেক মেকআপ ওয়েবসাইট ও তৈরি করতে পারবেন। সুতরাং, এক কথায়, আপনি ফটোশপ ব্যবহার করবেন প্রধানত ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে।

ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশনস এবং শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)। যা পিএইচপি (PHP) এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল দেয়া, শেখা এমনকি এখানে কোডিং করা (প্লাগিন ডেভেলপমেন্ট) অন্যান্য সিএমএস এর চেয়ে অনেক সহজ। তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস হালকা/লাইটওয়েট। আপনি যদি প্রোগ্রামিং নাও জানেন তবু এটা দিয়ে পূর্নাঙ্গ একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে মূলত ব্লগ বানানো হয় তবে এখন ওয়ার্ডপ্রেসের প্রচুর প্লাগিন আছে যেগুলি ব্যবহার করে ইকমার্স সাইট, ফোরাম ইত্যাদি বানানো যায়। যারা কোড দেখতে পছন্দ করেন না তারা এ সেক্টরে না আসাই ভালো।যারা কোন ওয়েবসাইট দেখলেই কৌতুহলবশত তা বানাতেও চান তারা এ সেক্টরে বেশ ভালো করে থাকে। আমি বরাবরই বলে আসছি যে, প্রত্যেক কাজ করার জন্য আগ্রহের দরকার হয়। তবে যারা কম্পিউটার কোডিং করতে আগ্রহী তারাই এক্ষেত্রে ভালো করতে পারবে। ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলাপমেন্টে প্রোগ্রামিং করতে হয়। যারা কোড দেখতে পছন্দ করেন না তারা এ সেক্টরে না আসাই ভালো। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হলো ওয়ার্ডপ্রেস এর। এতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। বিশ্বে প্রতিদিন যত ওয়েবসাইট তৈরি হয় তার বেশিরভাগ তৈরি হয় শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে। তাই আলাদা করে এইটা নিয়ে বর্ননা করার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।আপনি যদি চান শখের বশে শুধু মাত্র একটা সাধারন ওয়েবসাইট বানাবেন, তাহলেও আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারেন। এতে করে আপনাকে অনেক কঠিন কঠিন কোডিং শেখা লাগবে না। রেডিমেট হাজার হাজার থিম পাওয়া যায় যা দিয়ে আপনি অনাআসেই একটি ওয়েবসাইট বানাতে ও মেইনটেইন করতে পারবেন।

বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা

আপনার ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে দক্ষতা শক্তিশালী হলে, আপনি একটি সফল ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু ভোক্তা আচরণ সবসময় পরিবর্তন হয়। সুতরাং, আপনার নকশা, কোডিং, এবং উন্নয়ন দক্ষতা দিয়ে সবসময় পরিবর্তনশীল ভোক্তাদের সন্তুষ্ট করতে হবে। সৌভাগ্যক্রমে, আপনি ওয়েবসাইটের পরিসংখ্যান তৈরি করা তথ্য সংগ্রহের প্রচুর সরঞ্জাম খুজে পাবেন ইন্টারনেটে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল এনালিটিক্স, MOZ কীওয়ার্ড এক্সপ্লোরার, এবং SEMRush ইত্যাদি। ওয়েব পরিসংখ্যান দিয়ে, আপনি আপনার কাজের জন্য নির্দিষ্ট দর্শকদের ভোক্তা আচরণ আরও ভালভাবে বুঝতে পারেন। ওয়েব পরিসংখ্যানগুলি আপনাকে দেখাবে কতজন ব্যবহারকারী কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করে এবং কতক্ষণ তারা আপনার ওয়েবসাইটে থাকে।

Search Engine Optimization (SEO)

আধুনিক দিনের পণ্য বিপণনের পিছনে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO) এর অবদান অনস্বীকার্য। একটি ওয়েবসাইট SEO এর মাধমে পণ্যর গুণগ্রাহী গ্রাহকদের ট্রাফিক এবং নিরাপদ লিড আকর্ষণ করতে পারে। আজকাল বেশিরভাগ আধুনিক ভোক্তারা কোন পণ্য কেনার আগে অনলাইনে অনুসন্ধানের মাধ্যমে পণ্য এবং পরিষেবাদি অনুসন্ধান করে থাকেন। SEO বাস্তবায়ন না হলে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল পৃষ্ঠায় উপরের দিকে দেখায় না। পৃষ্ঠা আপলোড গতি, বিশ্বাসযোগ্য ডোমেন এবং জনপ্রিয় কীওয়ার্ড রাঙ্কিং করতে SEO দক্ষতা ওয়েব ডেভেলপাররা শিখতে (এবং উচিৎ) পারেন।

প্রতিক্রিয়াশীল নকশা

বর্তমান যুগে অনলাইন অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য আধুনিক ভোক্তাদের অধিকাংশই তাদের মোবাইল ডিভাইসগুলি ব্যবহার করে থাকেন। আসলে, প্রায় ৬০% অনলাইন অনুসন্ধান আজকের সময়ে মোবাইল ডিভাইসগুলির মাধমে হয়ে থাকে। প্রতিক্রিয়াশীল নকশা শেখার মাধ্যমে সেরা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন, যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটগুলিকে মোবাইল ডিভাইস, কম্পিউটার ও ট্যাবগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে পারেন। তাতে সকল ধরনের ব্যবহারকারীর কাছে আপনার ওয়েবসাইটি গ্রাহ্য হবে।

আপনি শুধুমাত্র এই কয়টা জিনিস জেনেই যেকোনো স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারবেন।

এখন মনের মধ্যে প্রশ্ন আসতে পারে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট আবার কি ?

স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট এবং ডাইনামিক ওয়েব সাইট কি ?

আমাদের যেসব ওয়েব পেইজের কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে, মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব নয় সেগুলো হলো স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট।

প্রশ্ন হতে পারে, মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব হবে এমন ওয়েব সাইট বানানো যাবেনা ?

হুমম অবশ্যই যাবে, এইটাই যদি না পারি তাহলে কেমন ডেভেলপার হলাম ? যেসব ওয়েব পেইজর কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব সেগুলো হলো ডাইনামিক ওয়েব সাইট। যেমন ফেসবুকের কথাই ধরুন, আমরা চাইলে ফেসবুকে আমাদের প্রোফাইল, যেকোন পোস্ট, ফ্রেন্ড যোকোন সময় এড এবং ডিলিট করতে পারছি। মূলত ওই ওয়েব সাইটটি ডাইনামিক হওয়াতে আমাদের জন্য তা করা সম্ভব হচ্ছে।

ডাইনামিক ওয়েব সাইটের বেপার টাই পরেই যাবেন, আমি ডাইনামিক ওয়েব সাইট সম্পর্কে আলাদা ভাবে লিখব। প্রথমে আপনি প্রথম ধাপ হিসেবে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরী করা শেখেন।

কোথা থেকে শিখবেন ?

যেকোনো কিছু যেকোনো সময় শেখার সবথেকে ভাল জায়গা হচ্ছে ইন্টারনেট। 

যেকোনো কিছু জানতে চান ইন্টারনেটে পাবেন ইন্টারনেটেই হল সবথেকে বড় শিক্ষক। ইউটিউব থেকেও আপনি সবকিছু শিখতে পারেন। বেসিক ধারনা নিতে পারেন।

তারপর আপনার যদি সামর্থ থাকে তাহলে কোনো ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হোন। না পারলেও কোনো সমষ্যা নাই, ইউটিউব থেকেই চালিয়ে যান।

কিভাবে শিখতে হবে ?

শিখতে তো হবে অনেক কিছুই, এবার চলুন দেখি কিভাবে শেখা যায়।

প্রথমে ইউটিউব এর টিউটরিয়াল দেখবেন, আবার দেখবেন, তারপর যেভাবে টিউটরিয়ালে করেছে ওইভাবে নিজে নিজে করার চেষ্টা করবেন।

যদি কোনো জায়গায় একবারেই আটকে যান, তাহলে নিজে নিজেই সেটা সমাধান করার চেষ্টা করবেন, যদি অনেক চেষ্টার পরেও না পারেন তারপর সাহায্য নিবেন।

যখনই ফ্রি থাকবেন ওয়েব ডেভেলপমন্ট নিয়ে ভাবতে থাকবেন। সমষ্যাগুলো নিয়ে ভাবতে থাকবেন, এতে আপনার জ্ঞান বাড়বে।

কোথায় কাজ করব ? কোথা থেকে টাকা কামাবো ?

দেখতে দেখতে তো ওয়েব ডেভেলপার হয়েই গেলেন, এইবার চলেন দেখি কোথা থেকে ইনকাম করা যায়।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে ওয়েব পেইজ ডিজাইনার এবং ওয়েব ডেভেলপারদের যথেষ্ট চাহিধা রয়েছে। অনলাইনে ফ্রীলাঞ্চিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে অসংখ্য কাজ ওয়েব পেইজ ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে প্রতিনিয়ত আসছে। এমনও ব্যাক্তি আছেন যারা প্রত্যেক মাসে ৫ লাখ এর ও বেশী টাকা ইনকাম করে।

আপনি যেরকম কাজ শেখেছেন সেরকমই ইনকাম করতে পারবেন। আপনার অভিঙ্গতা আপনাকেই অর্জন করতে হবে।

Latest Published