HomeResultপাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা: পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ বাংলাদেশে একমাত্র বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান। এটি একটি সরকারি সংস্থা যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ গ্রিডগুলির মালিক এবং তা পরিচালনা করে থাকে। এটি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি সহায়ক সংস্থা।পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা নিচ্ছে ।জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক (হিসাব/অর্থ/অডিট), উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল/ সিভিল (ইলেকট্রনিক্স / মেকানিক্যাল কম্পিউটার) ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল) পদের মৌখিক ও কম্পিউটারে পারদর্শিতা যাচাই পরীক্ষা নিম্নোক্ত (তালিকা ও রােল নম্বর) সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিষ্ঠানের নাম:পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:http://pgcb.gov.bd/

শর্তাবলী:

১) মৌখিক পরীক্ষা ও কম্পিউটারে পারদর্শিতা যাচাই পরীক্ষা প্রধান কার্যালয়, পিজিসিবি ভবন (৩য় তলা), এভিনিউ-৩, জহুরুল ইসলাম সিটি, আফতাবনগর, বাড্ডা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

২) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কোন টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।

৩) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অনলাইনে পুরণকৃত আবেদনের হার্ডকপি, প্রবেশপত্র, ০৩ (তিন) কপি পাসপাের্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, শিক্ষাগত যােগ্যতার সকল প্রকার সনদের মূলকপি ও সত্যায়িত অনুলিপি, জাতীয়তা সনদ (এনআইডি) ও স্থায়ী ঠিকানার সপক্ষে নাগরিকত্ব সনদ এর মূলকপি ও সত্যায়িত অনুলিপি সঙ্গে আনতে হবে।

৪) নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে মৌখিক পরীক্ষা ও কম্পিউটারে পারদর্শিতা যাচাইয়ে কোন প্রার্থী অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তীতে কোন সুযােগ প্রদান করা হবে না।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা

Post Related Things: পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ৯টি পদে ৪৬১ জনের যাচাই পরীক্ষা ২০২১,পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড এর যাচাই পরীক্ষা, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড নিয়োগ,

অন্যান্য চাকরির খবর জানুন…

পুলিশ সুপারের কার্যালয় নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

প্রতিদিনের নিত্যনতুন চাকরির খবর যেমন, আজকের চাকরির খবর ২০২১, সাপ্তাহিক চাকরির খবর, all govt job circular, government jobs circular 2021, bd jobs circular, bd govt jobs, bd govt job circular, bd job today, all jobs bd newspaper, government jobs in BD, ngo job circular, bd job news bangla, chakrir khobor, bd govt chakrir khobor, job circular in Bangladesh, সাম্প্রতিক কালের সকল সরকারি-বেসরকারি চাকরির খবর পেতে আমাদের সাইটটি প্রতিনিয়ত ভিজিট করুন।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিত:

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার অতি প্রাচীন। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে ভারতবর্ষে প্রথম আফিম চাষ ও আফিম ব্যবসা শুরু করেছিল। এর জন্য কোম্পানি কটি ফরমান জারী ও কিছু কর্মকর্তা নিয়োগ করে। বৃটিশরা ভারতবর্ষে আফিম উৎপাদন করে চীনসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি করে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিল। ১৮৫৭ সনে আফিম ব্যবসাকে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন এনে প্রথম আফিম আইন প্রবর্তন করা হয়। ১৮৭৮ সনে আফিম আইন সংশোধন করে আফিম অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর থেকে গাঁজা ও মদ থেকেও রাজস্ব আদায় শুরু হয়।

১৯০৯ সনে বেঙ্গল এক্সাইজ অ্যাক্ট ও বেঙ্গল এক্সাইজ ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়। আফিম, মদ ও গাঁজা ছাড়াও আফিম ও কোকেন দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের মাদকের প্রসার ঘটলে ১৯৩০ সনে সরকার The Dangerous Drugs Act-1930 প্রণয়ন করে। একইভাবে সরকার আফিম সেবন নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৩২ সনে The Opium Smoking Act-1932 প্রণয়ন এবং ১৯৩৯ সনে The Dangerous Drugs Rules-1939 প্রণয়ন করে। ১৯৪৭ সনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলমানদের জন্য মদ পান নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৫০ সনে The Prohibtion Rules-1950 তৈরী করা হয়। পাকিস্তান আমলে ১৯৫৭ সনে The Opium sales Rules-1957 প্রণীত হয়। এরপর ষাটের দশকে বেঙ্গল এক্সাইজ ডিপার্টমেন্টকে এক্সাইজ এন্ড ট্যাক্সেশন ডিপার্টমেন্ট হিসেবে নামকরণ করে অর্থমন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যস্ত করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭৬ সনে এক্সাইজ এন্ড ট্যাক্সেশন ডিপার্টমেন্টকে পুনরায় পুনর্বিন্যাসকরণের মাধ্যমে নারকটিকস এন্ড লিকার পরিদপ্তর নামে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীন ন্যস্ত করা হয়। ১৯৮২ সালে কোডিন মিশ্রিত কফ সিরাপ, এ্যালকোহলযুক্ত কতিপয় হেলথ টনিক, ট্যাবলেট, সিরাপ ইত্যাদির উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯৮৪ সনে আফিম ও মৃতসঞ্জীবনী সুরা নিষিদ্ধকরণ এবং ১৯৮৭ সনে গাঁজার চাষ বন্ধ ও ১৯৮৯ সনে সমস্ত গাঁজার দোকান তুলে দেয়া হযইয়েছিল।

১৯৮৯ সন পর্যন্ত নারকটিকস এন্ড লিকার পরিদপ্তরের মূল লক্ষ্য ছিল দেশে উৎপাদিত মাদকদ্রব্য থেকে রাজস্ব আদায় করা। আশির দশকে সারা বিশ্বে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে এ সমস্যার মোকাবেলায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধ, মাদকের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে গণসচেতনতার বিকাশ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ১৯৮৯ সনের শেষের দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮৯ জারী করা হয়। অতঃপর ২ জানুয়ারী, ১৯৯০ তারিখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ প্রণয়ন করা হয় এবং নারকোটিকস এন্ড লিকার পরিদপ্তরের স্থলে একই বছর তৎকালীন রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের অধীন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ বাংলাদেশে একমাত্র বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান। এটি একটি সরকারি সংস্থা যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ গ্রিডগুলির মালিক এবং তা পরিচালনা করে থাকে।

Latest Published